digital_marketer02

পার্ট -২ (ডিজিটাল মার্কেটার হতে কি কি দরকার)

৩. ডিজাইন সেন্স বা UI:
ধরুন আপনি ফেসবুক ওয়ালে একটি আপত্তিকর ছবি দেখলেন যেখানে কেউ এটির প্রমোশনের জন্য সুন্দরভাবে সেলস পিচ রেডি করেছে এবং টার্গেটিং সহ সব কিছু পারফেক্ট করেছে। কিন্তু ভিজ্যুয়াল দেখে আপনার মধ্যে কোন অনুভূতি সৃষ্টি হচ্ছে না দু’বার দেখার। অথবা টেক্সট এমনভাবে লিখেছে যে সেটি খুবই ছোট এবং বুঝতে কষ্ট হয়। এমন ধরনের অ্যাডে কি আপনি মনোযোগ দিবেন?
ওয়েব সাইটের ব্যাপারেও এই কথাটি সত্য।
এতে করে অ্যাডের পোস্ট বা ওয়েব সাইটের ভিজিটরদের ইম্প্রেসন পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। তাই আপনার যদি ডিজাইনের বেসিক আইডিয়া থেকে থাকে তাহলে খুব সহজে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারবেন।
তাই অ্যাড চালান বা ওয়েব সাইট তৈরি করেন, সব জায়গায় আপনাকে নজর কাড়ার মতো ডিজাইন দিতে হবে। তাহলেই একজন মানুষ আপনার পোস্টটি দেখে এটি নিয়ে চিন্তা গবেষণা করবে। আর আপনার যদি ডিজাইন সেন্স ভাল না হয় তাহলে পিন্টারেস্টে আপনার সাবজেক্ট সংক্রান্ত বিষয় দিয়ে সার্চ দিয়ে জানতে পারবেন বর্তমানে কোন ট্রেন্ড চলছে ডিজাইনের।
৪. মুনাফা তৈরি করার ধারনা
অর্থাৎ আপনাকে হিসেবে পাকা হতে হবে। আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সম্পর্কে কে, কি, কেন ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে হবে। এছাড়া প্রোডাক্ট উৎপাদন ও বিক্রি করে লাভ বের করে আনার কৌশল জানতে হবে। যেমন- আপনি একটি প্রোডাক্ট ৮০ টাকায় তৈরি করলেন, আর বাজারে বিক্রি করলেন ১০০ টাকায় তাহলে ২০ টাকা লাভ হচ্ছে।
কিন্তু আপনার মার্কেটিং এর খরচ যদি ২০ টাকার বেশি হয় তাহলে আপনার উল্টো লোকসান হবে।
অনেক ডিজিটাল মার্কেটার আছে যারা অ্যাড চালাতে পারে খুব ভালভাবে। কিন্তু তার এই হিসেব নেই যে, একজনকে কনভার্ট করতে নুন্যতম কত টাকা খরচ করতে হয়। মুনাফা হিসেব করার জ্ঞান যদি আপনার থাকে তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন কত টাকার প্রোডাক্টে কত টাকার অ্যাড চালাতে হয়।
গুগল অ্যাডওয়ার্ড এ অ্যাকুইজেশন এর একটি অপশন আছে। কস্ট পার অ্যাকুইজেশন যদি প্রফিটের চেয়ে কম হয় তাহলে সেটি লাভজনক কিন্তু কস্ট পার অ্যাকুইজেশন যদি প্রফিটের চেয়ে বেশি হয়ে যায় তাহলে সেটি লস মেকিং প্রোপ্রজিশন। সিপিএ এক্সপার্টদের কাছ থেকে আপনি এই বিষয়গুলো শিখে নিতে পারেন।
(পরবর্তী আপডেট এর জন্য সাথে থাকুন )

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *