ইউটিউবে মার্কেটিং করার ৭টি স্মার্ট উপায়

ইউটিউবে মার্কেটিং করার ৭টি স্মার্ট উপায়

আপনি কি ইউটিউবে কিভাবে সহজেই মার্কেটিং করতে হয় – সেটা শিখতে চান?!
বাংলাদেশের মানুষ ফেসবুকের পাশাপাশি সবচেয়ে যে ওয়েবসাইটে বেশি বিচরণ করেন, সেটা হলো ইউটিউব। ইউটিউব এমন একটি প্লাটফর্ম যেখানে সব বয়সী ও সব রুচির মানুষের জন্য উপভোগ করার মত প্রচুর ভিডিও রয়েছে।
নাটক, মুভি, কার্টুন, শিক্ষনীয় ভিডিও, টিউটোরিয়াল – সব ভিডিওই পাওয়া যায় ইউটিউবে। তাই এখানে মানুষের বিচরণও বেশি। তাই ইউটিউবে আপনার পণ্য বা সেবার মার্কেটিং করলে আপনি বেশ ভালো ফলাফল পেতে পারেন কারণ এখানে আপনার ক্রেতাশ্রেণির একটা বড় অংশ আছেন।
ইউটিউব পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম সার্চইঞ্জিন। সারাবিশ্বের মানুষ মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১ বিলিয়ন ঘন্টা সময়ের ভিডিও ইউটিউবে দেখে থাকে।
সুন্দরভাবে ও সঠিক উপায়ে যদি আপনার পণ্য বা সেবাসংক্রান্ত ভালো ভালো ভিডিও ইউটিউবে দেয়া যায় – তাহলে এভাবেই আপনার ব্যবসার একটা কার্যকরী মার্কেটিং করে
ফেলা সম্ভব।
আজকে আমরা আলোচনা করবো ইউটিউবে মার্কেটিং করার ৭টি স্মার্ট উপায় –
১। আপনার ভিডিওগুলোর টাইটেল(শিরোনাম) আকর্ষণীয় রাখার চেষ্টা করুন।
ইউটিউবে মানুষ মূলত ভিডিওর টাইটেল দেখে সেই ভিডিও দেখার প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং ক্লিক করে দেখে। ভিডিওগুলোর টাইটেল আকর্ষণীয় করতে ভিডিওটিতে সঠিক কিওয়ার্ড ব্যবহার করুন। ভিডিওটির টাইটেলটি যেন খুব বেশি বড় না হয় – সেটা খেয়াল করা জরুরি। স্পষ্ট ও সঠিক বর্ননাসহ টাইটেলটি লিখুন। দর্শকদেরকে বলুন কেন তাদের ভিডিওটি দেখা উচিত – কি উপকার পাবেন তারা, এটা জানান। এভাবে আপনি আপনার ভিডিওর টাইটেল সহজেই আকর্ষণীয় করে তৈরি করতে পারবেন।
২। ভিডিওগুলোর সুন্দর সুন্দর থাম্বনেইল তৈরি করুন।
ভিডিওর থাম্বনেইল সুন্দর হলে সেই ভিডিওর প্রতি মানুষ আরো বেশি আগ্রহ বোধ করে এবং দেখে। থাম্বনেইলটিতে আপনি টেক্সট বা লেখাও ব্যবহার করতে পারেন। স্ট্যান্ডার্ড ভিডিও সাইজের থাম্বনেইল ব্যবহার করুন, সেটা হতে পারে ১২৮০/৭২০ অথবা ১৯২০/১০৮০ পিক্সেল সাইজের। উঁচু মানের ছবি ব্যবহার করুন এবং ১৬ঃ০৯ অনুপাতের ছবি ব্যবহার করুন। থাম্বনেইলটিতে ইমোশনও ফুটিয়ে তুলতে পারেন।
৩। ভিডিওগুলোর সময় খুব একটা বেশি রাখবেন না।
ভিডিওগুলোর দৈর্ঘ্য যদি শুধু শুধু বাড়িয়ে তোলা হয়, তাহলে মানুষ আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। আপনার ভিডিওগুলোর প্রতি মানুষের ইন্টারেস্ট ধরে রাখতে হবে আর সেটা চাইলে ভিডিওর দৈর্ঘ্য কমের দিকে রাখার চেষ্টা করুন। তথ্যমূলক, ইন্টারেস্টিং এবং উপকারী ভিডিও তৈরির দিকে মনোযোগ দিলে, আপনার ভিডিওগুলোর প্রতি মানুষের আগ্রহ ও এঙ্গেইজমেন্ট – দুটোই থাকবে।
পরবর্তী উপায়গুলোর জানতে আমাদের পেজে চোখ রাখুন।
কমেন্টে আপনার নিজের মতামত জানাতে পারেন।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *